10 Important MCQ Question & Answer for WBCS / IAS on Chemistry


1. Lunar caustic is -

A) Caustic Soda
B) Silver Nitrate
C) Ammonium Chloride
D) Calcium Sulphate

Ans: B) Silver Nitrate

2. The formula for cane sugar is -

A) C6H5OH
B) C7H8O
C) C6H12O6
D) C12H12O11

Ans: D) C12H12O11

3. The Law of Octaves was stated by

A) Lothar Meyer
B) T.W. Richards
C) J.A.R. Newlands
D) Victor Meyer

Ans: C) J.A.R. Newlands

4. Nitre is -

A) KNO3
B) KMnO4
C) CaOCl2
D) NaNO3

Ans: A) KNO3

5. 'Hypo' is -

A) Potassium Nitrate
B) Sodium Nitrate
C) Ammonium Chloride
D) Sodium Thiosulphate

Ans: D) Sodium Thiosulphate

6. Which among the following is a metalloid?

A) Silver
B) Copper
C) Arsenic
D) Iodine

Ans: C) Arsenic

7. Quick lime has the formula -

A) Ca(OH)2
B) Na2CO3
C) CaO
D) NaOH

Ans: C) CaO

8. Brine is a solution of

A) Sulphur in carbon disulphise
B) Potassium iodide in water
C) Iodine in alcohol
D) Sodium chloride in water

Ans: D) Sodium chloride in water

9. Alum is used -

A) in the purification of water
B) as a disinfeetant
C) as an analgesic
D) as a fertilizer

Ans: A) in the purification of water

10. The proton was discovered by

A) Thomson
B) Goldstein
C) Faraday
D) Newton

Ans: A) Thomson
Read More

WBCS Last 20 Years - 20 Important Questions for WBCS Preliminary 2021


1. Who wrote Buddhacharita?

A) Nagarjuna
B) Asvaghosha
C) Basumitra
D) Vishakhadatta

Ans: B) Asvaghosha

2. When did the Mathura School of Arts Flourish?

A) Sunga period
B) Satavahana period
C) Saka period
D) Kushana period

Ans: D) Kushana period

3. The slogan "Garibi Hathao" was included in which Five year Plan?

A) Third Plan
B) Fourth Plan
C) Fifth Plan
D) Sixth Plan

Ans: D) Sixth Plan

4. Who introduced the Saka era?

A) Bhumaka
B) Nahapana
C) Rudradaman
D) Kanishka

Ans: D) Kanishka

5. Who was the founder of Indian Association?

A) Lala lajpath Rai
B) Surebdranath Banerjee
C) Bipin Chandra Pal
D) W. C. Banerjee

Ans: B) Surebdranath Banerjee

6. Who was the founder of Hindu Mela?

A) Nabagopal Mitra
B) bal gangadhor Tilak
C) Akshay Kumar Datta
D) Surendranath Banerjee

Ans: A) Nabagopal Mitra

7. Whan has founded the Indian Association?

A) 1876
B) 1884
C) 1887
D) 1890

Ans: A) 1876

8. The decision to hold panchayat Election is taken by the -

A) District Magistrate
B) State Government
C) Union Home Ministry
D) Election Commission

Ans: B) State Government

9. What is the middle unit in the three-tier Panchayati raj System?

A) Gram Panchayat
B) Zila Parishad
C) Panchayat Samiti
D) Union Board

Ans: B) Zila Parishad

10. Name one leader of the Home Rule Movement -

A) Annie Besant
B) Surendranath banerjee
C) Aurobinda Ghosh
D) Bipin Chandra Pal

Ans: A) Annie Besant

11. Who introduced the Iqta system?

A) Muhammad Ghuri
B) Qutubuddin Aibak
C) Iltutmish
D) Ghiyasuddin Balban

Ans: C) Iltutmish

12. When did the Jallianwallah Bagh Massacre take place?

A) 13th April, 1919
B) 15th August, 1921
C) 21st April, 1922
D) 25th September, 1925

Ans: A) 13th April, 1919

13. The battle of Tarain was fought between Muhammad Ghuri and -

A) Rana Sanga
B) Rana Pratap
C) Prithviraj Chauhan
D) Rana Hambirdeve

Ans: C) Prithviraj Chauhan

14. Who introduced 'Qabuliyat' and 'Patta'?

A) Babar
B) Shershah
C) Akbar
D) Shahjahan

Ans: B) Shershah

15. Who wrote Humayunnama?

A) Gulbadan
B) Abul Fazal
C) Faizi
D) Badaoni

Ans: A) Gulbadan

16. The electromagnetic radiation that is emitted during radio-active disintegration is -

A) X-rays
B) Y-rays
C) Ultraviolet rays
D) Infra-red rays

Ans: B) Y-rays

17. Who was called "Grand Old man" of India?

A) Dadabhai Naoroji
B) Jamshedji Tata
C) Surendranath Banerjee
D) C. rajagopalachari

Ans: A) Dadabhai Naoroji

18. The walls of a music hall should - 

A) Transmit sound
B) Absorb sound
C) Reflect sound
D) Amplify sound

Ans: C) Reflect sound

19. name the sultan who introduced Rationing System in India?

A) Ghiyasuddin balban
B) Alauddin Khalji
C) Muhammad bin Tughlaq
D) Firuz Tughlaq

Ans: B) Alauddin Khalji

20. Normal saline is an aqueous solution of sodium chloride of strength -

A) 0.84%
B) 1.00 normal
C) 1.00 molar
D) 1%

Ans: D) 1%
Read More

আলোকের অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection of Light)

আলোকের অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection of Light)

আলোকরশ্মি যখন এক ঘনত্বের মাধ্যম থেকে অন্য ঘনত্বের মাধ্যমে প্রতিসৃত হয়, তখন দ্বিতীয় মাধ্যমে আলোকরশ্মির অভিমুখের পরিবর্তন ঘটে ।

যদি কোন আলোকরশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে আপতিত হয়, তবে সেই ক্ষেত্রে আপতন কোনের তুলনায় প্রতিসরণ কোনের মান বেশি হয় । অতএব ঘন মাধ্যমে আপতিত কোন যত বড় হয় লঘু মাধ্যমে প্রতিসরণ কোন তত বড় হয় ।

অর্থাৎ, যদি আপতন কোন = i এবং প্রতিসরণ কোন = r, হয়, তবে এক্ষেত্রে সর্বদা r > i হয় ।

এই ভাবে লঘু মাধ্যমে আপতন কোনের একটি নিৰ্দিষ্ট মানের (i >θজন্য প্রতিসৃত আলোকরশ্মি দুই মাধ্যমের বিভেদ তল বরাবর যায় । অর্থাৎ প্রতিসরণ কোনের মান ৯০° (r =৯০°) হয় । এই অবস্থায় আপতন কোনকে ওই দুই মাধ্যমের সংকট কোন বলে ।

এই অবস্থায় আপতন কোন যদি সংকট কোনের থেকে বেশি হয়, তবে আলোকরশ্মি প্রতিসৃত না হয়ে প্রতিফলিত হয়ে পুনরায় ঘন মাধ্যমে ফিরে আসে । এই ঘটনাকে আলোকের অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন বলে ।


আলোকের অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন:-

আলোকরশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে প্রবেশ করার সময় যদি দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে সংকট কোনের থেকে বেশি কোনে (i >θ) আপতিত হয়, তবে ওই আলোকরশ্মি লঘু মাধ্যমে প্রতিসৃত না হয়ে দুই মাধ্যমের বিভেদ তল থেকে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয়ে পুনরায় ঘন মাধ্যমে ফিরে আসে । এই ঘটনাকে আলোকের অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন বলে ।

উপরিউক্ত চিত্রে ঘন মাধ্যমে আপতন কোন i, সংকট কোন θ এর তুলনায় বেশি, অর্থাৎ i >θ, তাই PQ দুই মাধ্যমের বিভেদ তল AB -এর উপর আপতিত হয়ে পূর্ণরায় QR রূপে প্রতিফলিত হয়েছে । অর্থাৎ আলোকের অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন হয়েছে ।

আলোকের অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলনের শর্ত :-

আলোকের অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলনের শর্তগুলি হল -

  1. অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলনের জন্য আলোকরশ্মিকে অবশ্যই ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে যেতে হবে এবং দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত হবে ।
  2. ঘন মাধ্যমে আপতন কোন ওই দুই মাধ্যমের সংকট কোনের চেয়ে বড় হতে হবে ।


অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলনের কয়েকটি উদাহরণ :-

  1. অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলনের প্রাকৃতিক দৃষ্টান্ত হল মরীচিকা ।
  2. অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলনের জন্য হীরককে খুব উজ্জ্বল দেখায়

হীরককে খুব উজ্জ্বল দেখায় কেন ?

হীরককে খুব উজ্জ্বল দেখায়, কারণ হীরকের ঘনত্ব ও প্রতিসরাঙ্ক বেশি বলে হীরকের সাপেক্ষ্য বায়ুর সংকট কোনের মান কম, প্রায় ২৪.৪°। ফলে আলোকরশ্মি সামান্যতম কোনে আপতিত হলেও ওই রশ্মির অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন হয় । বেশি সংখক আলোকরশ্মির অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন হয়ার ফলে, বেশি সংখক আলোকরশ্মি প্রতিফলিত হয়ে চোখে আসে পরে । তাই হিরককে খুব উজ্জ্বল দেখায় ।

পদ্ম পাতার উপর বৃষ্টির জল পড়লে, চক্চকে দেখায় কেন ?

পদ্ম পাতায় অনেক সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম রোঁয়া থাকে , ফলে বৃষ্টির জল ও পদ্ম পাতার মধ্যে বায়ুর একটি আস্তরণ থাকে । এখন জলের মধ্যে আপতিত রশ্মির মধ্যে যেগুলি সংকট কোনের থেকে বড় কোন আপতিত হয়, সেই গুলির ফোটাটির তেল থেকে পূর্ণ প্রতিফলিত হয় ।সেই প্রতিফলিত রশ্মিগুলি আমাদের চোখে আসে, ফলে জলের ফোটাটিকে চক্চকে দেখায় ।



Read More

আনত তল কাকে বলে? এর কার্যনীতি ব্যাখ্যা করো । এর যান্ত্রিক সুবিধা কত?

আনত তল:-

কোন সমতলকে (A Flat Surface) অনুভূমিক না রেখে যদি ভূমির সাথে কোন সূক্ষ্ম কোনে (acute angle) রাখা হয়, তবে সেই তলকে আনত তল বলে ।

আনত তল হল এমন একটি সরল যন্ত্র যার সাহায্যে অপেক্ষাকৃত কম বল প্রয়োগ করে কোন বস্তুকে নিন্ম স্তর থেকে উচ্চ স্তরে তোলা যায় ।

কোন ভারী বস্তুকে সরাসরি উলম্বভাবে তুলতে যে বল প্রয়োগ হয়, তার থাকে কম বল প্রয়োগ করে আনত তলের মাধ্যমে বস্তুটিকে তোলা যায় ।

আনত তলের কার্যনীতি:-


উপরিউক্ত চিত্রানুসারে,

কোন বস্তুকে C বিন্দু থেকে B বিন্দুতে তুলতে গেলে, কার্যের পরিমান

= বস্তুর ওজন X উচ্চতা

= W X  BC

= W X h

অপরপক্ষে, যদি আনত তল ব্যবহার করা হয় তবে আনত তলের সমান্তরাল P বল প্রয়োগ করে W ওজনের কোন বস্তুকে A বিন্দু থাকে B বিন্দুতে তোলা হয় ।

এখন ধরি,

AB = আনত তল = L
BC = আনত তলের উচ্চতা = h

সুতরাং, কার্যের পরিমান = প্রযুক্ত বল X বস্তুর সরণ

= P X AB

= P X L

অতএব, উভয় ক্ষেত্রেই বস্তুটিকে একই উচ্চতায় তোলা হয়েছে, তাই কার্যের পরিমান উভয় ক্ষেত্রেই সমান ।


সুতরাং, যেহেতু h -এর থেকে L অনেক বড় তাই ওজন W, প্রযুক্ত বল P -এর থেকে বড় হবে ।

সুতরাং, বলা যায় W > P (অর্থাৎ যান্ত্রিক সুবিধা ১-এর বেশি)

সুতরাং, W ওজনকে একই উচ্চতায় তুলতে আনত তলে কম বল প্রয়োগ করতে হবে ।

আনত তলে যান্ত্রিক সুবিধা কোন θ এর উপর নির্ভর করে । θ -এর মান যত কম হবে L এর মান তত বেশি হবে, ফলে আনত তলের যান্ত্রিক সুবিধা বাড়বে ।


পাহাড়ে ওঠার রাস্তা পাহাড়ের গা বেয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে তৈরী করা হয় কেন ?

খাড়া পথে পাহাড়ে উঠতে বল প্রয়োগ বেশি করতে হয়, কারণ যান্ত্রিক সুবিধা পাওয়া যায় না । পাহাড়ের গা বেয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে যে রাস্তা থাকে তা আনত তলের মতো কাজ করে । যেহেতু আনত তলের যান্ত্রিক সুবিধা ১-এর বেশি তাই, এই সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে অপেক্ষাকৃত কম পরিশ্রম করে পাহাড়ে ওঠা যায় ।

 আনত তলকে যন্ত্র বলা যায় কি ?

যে ব্যবস্থার মাধ্যমে কম বল প্রয়োগ করে বেশি বাধা অতিক্রম করা যায়, তাকেই যন্ত্র বলে । কোন ভারী বস্তুকে সরাসরি উলম্ব ভাবে না তুলে আনত তল বরাবর তুলতে কম বল প্রয়োগ করতে হয় । যেহেতু আনত তলের যান্ত্রিক সুবিধা ১-এর বেশি, তাই ইহা একপ্রকার সরল যন্ত্র ।

আনত তলে খরচ বাঁচে কি ?

আনত তল হল একটি সরল যন্ত্র, কারণ এর সাহায্যে কম বল প্রয়োগ করে বেশি কার্য করা যায় । যন্ত্রের সাহায্যে বেশি শক্তি পাওয়া যায় না, উপরুন্তু যন্ত্রে যে শক্তি প্রয়োগ করা হয় তার থেকে কম শক্তি সে ফিরিয়ে দেয় । কারণ ঘর্ষণজনিত বাঁধা অতিক্রম করতে কিছু শক্তি অপচয় হয় । সুতরাং যন্ত্র ব্যবহারে শক্তির খরচ বাঁচে না ।


আনত তল সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন :-

  1. আনত তল কাকে বলে? আনত তলের কার্য্যনীতি ব্যাখ্যা করো ।
  2. আনত তলে কিরূপ যান্ত্রিক সুবিধা পাওয়া যায় ?
  3. আনত তলের ব্যবহারিক প্রয়োগ উল্লেখ করো ।
  4. আনত তলে যান্ত্রিক সুবিধা 1-এর বেশি না কম ?
  5. আনত তলে খরচ বাঁচে কি ? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও ।
  6. আনত তলকে যন্ত্র বলা যায় কি ?
  7. পাহাড়ে ওঠার রাস্তা পাহাড়ের গা বেয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে তৈরী করা হয় কেন ?
Read More

সুপার সাইক্লোন আমফান ( Super Cyclone Amphan )



বঙ্গোপসাগরে সম্প্রতি যে সুপার ঘূর্ণিঝড়টি তৈরী হয়েছে তার নাম কী?

A) ফানী
B) আমফান
C) মহা
D) নিসারগা

বঙ্গোপসাগরে তৈরী হওয়া সুপার সাইক্লোনটি হল - আমফান

বঙ্গোপসাগরে তৈরী হয় এই ঘূর্ণি ঝড়টি ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে ২০ মে ২০২০ তে আঁচড়ে পরবে । ভারতের ভারতীয় আবহাওয়া দফতর সূত্রে এই সুপার সাইক্লোনটির গতিবেগ ১৮৫ - ২০০ কিমি প্রতি ঘন্টা থাকবে । ভারত সরকারের তরফ থেকে National Disaster Response Force (NDRF) -কে তৈরী থাকতে বলা হয়েছে ।

ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ উপকূল এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ জুড়ে ভারী বৃষ্টিপাত এবং ১৮৫ - ২০০ কিমি প্রতি ঘন্টা বেগে ঝড় আসার সম্ভবনা আছে । উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় ১১ লক্ষ মানুষকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করার ব্যবস্থা National Disaster Response Force (NDRF) দ্বারা করা হয়েছে ।

এই সুপার সাইক্লোনটির নাম আমফান রাখা হয়েছে থাইল্যান্ড দ্বারা । "Amphan" (pronunciation: Um-pun), means sky ।

উল্লেখযোগ্য থাইল্যান্ড 2004 সালেই এই সাইক্লোনটির নাম আমফান দিয়েছিল ।

২০২০ সালের মে মাসে বঙ্গোপসাগরে তৈরী হওয়া ঘূর্ণিঝড়টির নামকরণ কোন দেশ করেছিল ?

A) ভারত
B) বাংলাদেশ
C) থাইল্যান্ড
D) মায়ানমার

২০২০ সালের মে মাসে বঙ্গোপসাগরে তৈরী হওয়া সাইক্লোনটির নামকরণ করেছিল থাইল্যান্ড

বঙ্গোপসাগরে তৈরী হওয়া ঘূর্ণিঝড় আরব সাগরে তৈরী হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের থেকে বেশি শক্তিশালী ।

আরো পড়ুন :- সুপার সাইক্লোন ও তার নামকরণ
Read More

নিউটনের দ্বিতীয় গতিসূত্রটি বর্ণনা কর । নিউটনের দ্বিতীয় গতিসূত্র থেকে কিভাবে বলের পরিমাপ পাওয়া যায় ।

নিউটনের দ্বিতীয় গতিসূত্রটি বর্ণনা কর । নিউটনের দ্বিতীয় গতিসূত্র থেকে কিভাবে বলের পরিমাপ পাওয়া যায় ।

অথবা,

নিউটনের দ্বিতীয় গতিসূত্র হইতে প্রমান করো যে, F = ma

নিউটনের দ্বিতীয় গতিসূত্র :-

কোন বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার বস্তুটির উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক । প্রযুক্ত বল যে দিকে ক্রিয়া করে, বস্তুটির ভরবেগের পরিবর্তন সেই দিকে হয় ।

নিউটনের দ্বিতীয় গতিসূত্র থেকে আমরা পাই -
  1. ভরবেগের ধারণা
  2. বলের পরিমাপ (F = ma)
  3. বলের একক
  4. বল পরিমাপের পদ্ধতি
নিউটনের দ্বিতীয় গতিসূত্র থেকে বলের পরিমাপ (Measurement of Force) :-


ধরি, m ভরের বস্তুটির উপর প্রযুক্ত বল = F

বস্তুটির প্রাথমিক বেগ = u

বস্তুটির অন্তিম বেগ = v

এখন বস্তুটি F বলের প্রভাবে A অবস্থানে প্রাথমিক বেগ u থেকে t সময় পরে B অবস্থানে অন্তিম বেগ হল v

সুতরাং,

বস্তুটির প্রাথমিক ভরবেগ = mu

বস্তুটির অন্তিম ভরবেগ = mv

=> ভরবেগের পরিবর্তন = ( mv - mu )

যেহেতু এই পরিবর্তন t সময় হয়, তাই ভরবেগ পরিবর্তনের হার

= ভরবেগের পরিবর্তন / সময়

= ( mv - mu ) / t

এখন, নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রানুসারে, ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক


এখানে F = প্রযুক্ত বলের মান । k ধ্রুবকটির মান বলের এককের উপর নির্ভর করে । যদি একক ভরের বস্তুর উপর একক বল ক্রিয়া করে তবে ত্বরণের মান একক হয় ।

সুতরাং, উপরের সমীকরণ থেকে বলা যায়, F = 1, যখন m = 1, a = 1,

=> 1 = k . 1 . 1

=> k = 1

এখন, উপরের সমীকরনে k = 1 বসিয়ে পাই,

F = 1 . m . a

=> F = ma (প্রমাণিত)

F = ma সমীকরণ থেকে নিন্মলিখিত বিষয়গুলি জানা যায় -

  • প্রযুক্ত বলের অভিমুখ ও বস্তুর গতির অভিমুখ একই হলে বস্তুটির বেগ বেড়ে যায় ফলে ত্বরণের সৃষ্টি হয় । ত্বরণ = a = F / m
  • যদি প্রযুক্ত বল F -এর অভিমুখ বস্তুটির গতির বিপরীতে হয় তাহলে বস্তুটির বেগ ধীরে ধীরে কমতে থাকে, ফলে মন্দনের সৃষ্টি হবে । মন্দন = a = F / m (মান ঋণাত্মক)
  • বল যতক্ষণ ধরে প্রযুক্ত হয় ততক্ষন বস্তুটির মধ্যে ত্বরনের সৃষ্টি হয় ।
  • বলের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে গেলে ত্বরণের আর সৃষ্টি হয় না, ফলে বেগ আর বাড়ে না । বস্তুটি শেষ যে বেগ লাভ করেছিল সেই বেগ নিয়ে অর্থাৎ সমবেগে নিয়ে সরলরেখা ধরে চলতে থাকবে ।
  • বলের অভিমুখই হল ত্বরণ বা মন্দনের অভিমুখ ।
Read More

ভারতের প্রধান প্রধান কৃষিজ ফসল থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

ভারতের প্রধান প্রধান কৃষিজ ফসল থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

১. ভারতের প্রধান খাদ্যশস্য কি ?
উত্তর : ভারতের প্রধান খাদ্যশস্য হল ধান ।

২. ভারতে কি কি প্রথায় ধান চাষ করা হয় ?
উত্তর : ভারতে তিনটি প্রথায় ধান চাষ করা হয় । যথা - বপন প্রথা , রোপন প্রথা , ঝুম প্রথা ।

৩. হেক্টর প্রতি ধানের উৎপাদন কোন রাজ্যে বেশি ?
উত্তর : তামিলনাড়ুতে হেক্টর প্রতি ধানের উৎপাদন সবথেকে বেশি ।

৪. কোন রাজ্যে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয় ?
উত্তর : পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয় ।

৫. পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয় ?
উত্তর : বর্ধমান জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয় ।

৬. "দক্ষিণ ভারতের ধান ভান্ডার" কাকে বলে ?
উত্তর : তামিলনাড়ুকে "দক্ষিণ ভারতের ধান ভান্ডার" বলে ।

৭. ধান উৎপাদনে পৃথিবীতে ভারতের স্থান কত ?
উত্তর : ধান উৎপাদনে ভারত প্রথম স্তন অধিকার করে ।

৮. রবিশস্য কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
উত্তর : শীতের শুরু থেকে চৈত্র-বৈশাখ মাসের মধ্যে যে সব ফসলের চাষ করা হয় তাদের রবিশস্য বলে ।
উদাহরণ:- গম, সরিষা, বার্লি, ছোলা, সরিষা, রাই, ধনে, জিরে, আলু ইত্যাদি ।

৯. খারিফ শস্য কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
উত্তর : ভারতে মৌসুমী বায়ু আগমনের সময় প্রচুর বৃষ্টিপাত ও একটানা উষ্ণ আবহাওয়া কে কেন্দ্র করে যে সব ফসলের চাষ করা হয়, তাকে খারিফ শস্য বলে ।
উদাহরণ :- ধান, ভুট্টা, রাগি, বাজরা, তুলে , পাট, ডাল, তামাক, আখ, সিসেম, সোয়াবিন, বাদাম ইত্যাদি ।

১০. কিরূপ জমিতে ধান চাষ ভালো হয় ।
উত্তর : নদী উপত্যকা, উপকূলবর্তী সমভূমি ও বদ্বীপ অঞ্চলের অপেক্ষাকৃত নিচু স্থানে ধান চাষ ভালো হয় ।

১১. ভারতের ধান ও গম গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত ?
উত্তর : দিল্লীর নিকট পুসায় ভারতের ধান ও গম গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত ।

১২. মিলেট কি ?
উত্তর : প্রধানত জোয়ার, বাজরা, রাগি এবং কাংগুনি, কোডন, কুটকি, চেনা প্রভৃতি দানাশস্যকে মিলেট বলে ।

১৩. ভারতের কোন রাজ্য জোয়ার উৎপাদনে সর্বাধিক ?
উত্তর : মহারাষ্ট্র জোয়ার উৎপাদনে প্রথম ।

১৪. তামিলনাড়ুতে জোয়ারকে কি বলে ?
তামিলনাড়ুতে জোয়ারকে চোলাম বলে ।

১৫. দক্ষিণ ভারতে বাজরাকে কি বলে ?
দক্ষিণ ভারতে বাজরাকে কম্বু বলে ।

১৬. সোনার তন্তু কাকে বলে ?
পাটকে সোনার তন্তু বলে ।

১৭. দক্ষিণ ভারতে কোথায় চা -এর চাষ বেশি হয় ?
কর্ণাটক ও করলে -এর নীলিগিরি ও কার্ডামম পর্বতের ঢাল অঞ্চলে ।

১৮. ভারতের কোন বন্দরের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করা হয় ?
কলকাতা বন্দরের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করা হয় ।

১৯. কফি নামের উৎপত্তি কিভাবে হয়েছে ?
ইথিওপিয়ার কাফা অঞ্চলে উৎপন্ন হয় বলে আর নাম কফি ।

২০. পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিনে কোথায় চা বাগিচা চেস্টা চলছে ?
পশ্চিমবঙ্গের অযোধ্যা - পাহাড়ে চা বাগিচা তৈরির চেস্টা চলছে ।

২১. ভারতের আখ গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত ?
লখনৌ ও কোয়েম্বাটুরে ভারতের আখ গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত ।

২২. অর্থকারী ফসল বলতে কি বোঝায় ? দুটি অর্থকারী ফসলের নাম বলো ।
বাণিজ্যের প্রয়োজনে যে সকল ফসল চাষ করা হয় ও সেই ফসল থেকে বেশি অর্থ উপার্জন করা যায় । তাকে অর্থকারী ফসল বলে ।

দুটি অর্থকারী ফসল হল - চা ও পাট ।

২৩. ভারতে চা -এর নিলামের প্রধান কেন্দ্রগুলি কি ?
কলকাতা, গুয়াহাটি হল চা -এর নিলামের প্রধান কেন্দ্র ।

২৪.বাগিচা ফসল কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
বিস্তীর্ণ জমিতে কৃষি বাগিচার মাধ্যমে যখন কোন বিশেষ ফসলের চাষ করা হয় ও সেই ফসল চাষ ও অধিক উৎপাদনের জন্য যখন অধিক মূলধন বিনিয়োগ করা হয়, বিশেষ যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় , খামার শিল্পের প্রবর্তন করা হয় এবং সেই ফলস রপ্তানি করার জন্য সঠিক যোগাযোগ মাধ্যম ও পণ্য  সুবিধা প্রভিতি বিশেষ নজরদারিতে করা হয় , তখন তাকে বাগিচা কৃষি বলে ।

প্রধানত বাণিজ্যের প্রয়োজনে বাগিচা কৃষি করা হয় ।

উদাহরণ :- চা, তুলা অন্যতম বাগিচা ফসল ।

২৫. তৈলবীজ কি? চীনাবাদাম, সরিষা, তিল, তিসি ও রেডি উৎপাদনে ভারতের স্থান কত ?
বিভিন্ন প্রকার শস্যের বীজ থাকে যে তেল পাওয়া যায়, তাকে তৈল বীজ বলে । তৈল বীজ উৎপাদনে ভারতের স্থান কত ।
চীনাবাদাম - উৎপাদনে প্রথম
সরিষা - উৎপাদনে প্রথম
তিল - উৎপাদনে প্রথম
তিসি - উৎপাদনে প্রথম
রেডি - উৎপাদনে প্রথম

২৬.  কালো মাটিকে কালো তুলে বলে কেন ?
কালো মাটিতে তুলে চাষ ভালো হয়, তাই এই মাটিকে কালো তুলে মাটি বলে । দাক্ষিণাত্যে এই মাটি দেখা যায় ।

২৭. কল্পতরু বৃক্ষ কাকে বলে ?
রান্নার তেল, কেশ তেল, সাবান,মোমবাতি, মার্জারিন প্রভৃতি তৈরী করতে নারকেল ব্যবহার করা হয় । এছাড়া নারকেল গাছের সমস্ত অংশ মানুষের ব্যবহার লাগে । তাই নারকেল গাছকে কল্পতরু বৃক্ষ  বলে ।

২৮. সরিষা ও রাই উৎপাদনে প্রথম কোন রাজ্য ?
সরিষা ও রাই উৎপাদনে উত্তরপ্রদেশ প্রথম ।

২৯. মেস্তা কি ? কোথায় চাষ করা হয় ?
মেস্তা বাকল জাতীয় তন্তু ফসল । পাট অপেক্ষা এর আঁশ নিকৃষ্ট । পাটের পরিবর্ত সামগ্রী হিসাবে চটের থলি বানাতে মেস্তা ব্যবহার করা হয় ।

অপেক্ষাকৃত স্বল্প বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে এবং পত্ চাষের অনুপযুক্ত জমিতে মিস্টার চাষ করা হয় ।

মেস্তা উৎপাদক অঞ্চল :- পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও মহারাষ্ট্রে উল্লেখযোগ্য ভাবে মেস্তার চাষ করা হয় ।

৩০. Tea Board of India কোথায় অবস্থিত ?
Tea Board of India কলকাতায় অবস্থিত । ভারতে চা রপ্তানি ও অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধির জন্য Tea Board of India গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে ।
Read More